বিপিএলে চট্টগ্রাম রয়্যালসের কাছে পাত্তাই পেল না ঢাকা ক্যাপিটালস। ১২২ রানের জবাবে খেলতে নেমে ১০ উইকেটের দুর্দান্ত জয় তুলে নেয় মাহেদী হাসান-মিঠুনরা।
অল্প রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কোনো বেগ পেতে হয়নি চট্টগ্রাম রয়্যালসকে। ওপেনিং জুটিতেই ম্যাচ শেষ করে দেন নাঈম শেখ ও অ্যাডাম রসিংটন।
নাঈম ৪০ বলে ৫৪ এবং রসিংটন ৩৬ বলে ৬০ রান করে অপরাজিত থাকেন। মাত্র ১২.৪ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় চট্টগ্রাম রয়্যালস।
এর আগে টসে হেরে দিনের শুরুতে ব্যাট করতে নামে ঢাকা। ইনিংসের শুরুতেই দলীয় মাত্র ৩ রানে চট্টগ্রামের পেসার শরিফুল ইসলামের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন সাইফ হাসান।
চলতি বিপিএলে তিন ইনিংস মিলিয়ে সাইফের সংগ্রহ মাত্র ১১ রান। জুবাইদ আকবরীও ফেরেন একই বোলারের বলে ডিপ পয়েন্টে মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধকে ক্যাচ দিয়ে।
এরপর উসমান খান তানভির ইসলামের বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে স্টাম্পিং হন ১৫ বলে ২১ রান করে।
উইকেটে এসে থিতু হতে পারেননি শামীম হোসেন পাটোয়ারিও।
আগের ম্যাচে ঝলমলে ইনিংস খেললেও এদিন শেখ মেহেদীর বলে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে স্টাম্পিং হন ৭ বলে ৪ রান করে।
এরপর অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন তানভির ইসলামের বলে লং অনে মির্জা তাহির বেগকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৮ রান করে। এতে ৪৬ রানেই পাঁচ উইকেট হারায় ঢাকা।
সাব্বির রহমানও বড় শট খেলতে গিয়ে শেখ মেহেদীর বলে স্টাম্পিং হয়ে ফেরেন ৯ রান করে। স্কোর দাঁড়ায় ৫৫ রানে ৬ উইকেট।
অন্যদিকে ইমাদ ওয়াসিম লেগ স্টাম্পের বাইরের বলে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে বল মিস করলে উইকেটকিপার অ্যাডাম রসিংটন দ্রুত স্টাম্প ভেঙে দেন।
এতে ৬৬ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে তারা। ঢাকাকে এই বিপর্যয় থেকে কিছুটা টেনে তুলেন নাসির হোসেন ও সাইফ উদ্দিন। তাদের ৩৬ বলে ৪৮ রানের জুটি দলকে বড় বিপর্যয়ের হাত থেকে টেনে তুলে। নাসির ব্যাক্তিগত ১৭ রানে ফিরলে ক্রিজে এসে টিকতে পারেননি তাসকিন আহমেদ ও সালমান মির্জা। এতে ১৯.৪ ওভার খেলে ১২২ রানে গুটিয়ে যায় ঢাকা। সাইফ সর্বোচ্চ ২৫ বলে অপরাজিত ৩৩ রানের ইনিংস খেলেন।
চট্টগ্রামের হয়ে শরিফুল ইসলাম ও তানভির ইসলাম সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট শিকার করেন।







