১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ■ ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

/

প্রস্টেট ক্যান্সার : যে লক্ষণগুলো পুরুষদের উপেক্ষা করা অনুচিত

প্রস্টেট ক্যান্সার : যে লক্ষণগুলো পুরুষদের উপেক্ষা করা অনুচিত

||

দৈনিক মাটির কণ্ঠ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

প্রস্টেট গ্ল্যান্ড ক্যান্সারের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো প্রাথমিক পর্যায়ে এর লক্ষণগুলো স্পষ্টভাবে দেখা যায় না। অনেক ক্ষেত্রে, কোনো অসুবিধা ছাড়াই রোগটি ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। এই কারণেই সামান্যতম সন্দেহ হলেই পরীক্ষা করানো জরুরি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

বারবার প্রস্রাব পাওয়া, প্রস্রাবের বেগ সামলাতে না পারা, প্রস্রাব শুরু বা বন্ধ করতে সমস্যা হওয়া এই রোগের লক্ষণ।

মাঝেমধ্যে দেখা যায়, প্রস্রাব শেষ হয়েও হয় না। সাধারণত মানুষ এটিকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা হিসেবে মনে করে। কিন্তু আসলে এগুলো প্রোস্টেট ক্যান্সারের প্রাথমিক সতর্ক সংকেতও হতে পারে।

মূত্র বা শুক্রাণুর সঙ্গে রক্ত আসা আরেকটি গুরুতর লক্ষণ, যা কোনো অবস্থাতেই উপেক্ষা করা উচিত নয়।

অনেক পুরুষ এটিকে সাময়িক সমস্যা মনে করে এড়িয়ে যান, যেখানে এটি ক্যান্সারের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে।

প্রায়শই প্রস্টেট বৃদ্ধি, ইউরিন ইনফেকশন এবং প্রস্টেট ক্যান্সারের লক্ষণগুলো একই রকম মনে হয়। পার্থক্য হলো, ইনফেকশনে জ্বালা, জ্বর বা দুর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাব হয়। কিছু লক্ষণ এমনও আছে, যা সম্পূর্ণভাবে দৃষ্টির বাইরে চলে যায়।

যেমন কোমর বা কোমরে একটানা ব্যথা, কোনো কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া বা একটানা ক্লান্তি। এই লক্ষণগুলো সাধারণত তখনই দেখা যায়, যখন রোগটি ছড়িয়ে পড়ে।

প্রস্টেট ক্যান্সারের সঠিক কারণ এখনো সম্পূর্ণরূপে স্পষ্ট নয়। তবে বয়স, জিনগত কারণ এবং হরমোনের পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অতিরিক্ত ওজন, ধূমপান, অ্যালকোহলপান এবং খারাপ জীবনযাত্রা ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, পুরুষদের ৫০ বছর বয়সের পর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উচিত, এমনকি কোনো উপসর্গ না থাকলেও। পরিবারের ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে আরো আগে থেকে পরীক্ষা শুরু করা উচিত। সময় মতো পরীক্ষা ও সতর্কতা এই ক্যান্সার প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

সূত্র : এবিপি আনন্দ

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর