১লা ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ ■ ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

/

বরগুনায় সুশৃঙ্খল দুর্গাপূজা নিশ্চিত করতে সম্প্রীতি সমাবেশ

বরগুনায় সুশৃঙ্খল দুর্গাপূজা নিশ্চিত করতে সম্প্রীতি সমাবেশ

||

দৈনিক মাটির কণ্ঠ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

আসন্ন দুর্গাপূজা সুশৃঙ্খলভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে বরগুনায় সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় জেলা মাল্টিপার্টি এডভোকেসি ফোরামের আয়োজনে বরগুনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি, সিনিয়র সাংবাদিক চিত্তরঞ্জন শীল। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. নুরুল আমিন, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের সহকারী পরিচালক দিপু হাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন হাসান শাহীন, বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট সোহেল হাফিজ, বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট রঞ্জুয়ারা শিপু, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মো. ইয়াকুব হোসাইন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুখরঞ্জন শীল, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন মিরাজ, মনির হোসেন কামাল, অ্যাডভোকেট মোস্তফা কাদের, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাফর হোসেন হাওলাদার, মো. হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবীর মৃধা, সাধারণ সম্পাদক তাপস মাহমুদ, শিক্ষক প্রতিনিধি মো. বাকি বিল্লাহ প্রমুখ।

সমাবেশে জেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের প্রতিনিধি, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান, যুব সমাজের প্রতিনিধি, পূজা উদযাপন ফ্রন্ট ও পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্য রাখেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের অ্যাডভোকেট সুশান্ত কুমার বেপারী, সাধারণ সম্পাদক জয়দেব রায়, সভাপতি শ্যামল চন্দ্র হাওলাদার, কালিবাড়ি মন্দির কমিটির সভাপতি তপন চন্দ্র দাস, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবির প্রমুখ। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন মাল্টিপার্টি ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আবু জাফর সালেহ।

নেতৃবৃন্দ সমাবেশে বলেন, দুর্গাপূজা কেবল হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসব নয়, এটি দেশের ঐতিহ্য এবং সামাজিক সম্প্রীতির প্রতীক। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সকলেই মিলেমিশে অংশগ্রহণ করে। তাই শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব সম্পন্ন করতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

সমাবেশে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো হলো:
* পূজা মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন।
* সেচ্ছাসেবক দল গঠন ও প্রশিক্ষণ, দর্শনার্থীদের শৃঙ্খলা রক্ষা।
* পর্যাপ্ত আলো ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
* ২৪ ঘন্টা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের পালাক্রমে ডিউটি।
* রাতের সময় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করা।
* কোনো সমস্যা হলে বিট অফিসার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কন্ট্রোল রুমকে অবিলম্বে অবহিত করা।

পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘প্রতিবারের মতো এবারও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা আমাদের পূজাকে নির্বিঘ্ন ও আনন্দঘন করবে। জনগণের সঙ্গে পুলিশের আন্তরিক সম্পর্কই আমাদের ভরসা।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর