২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ■ ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

/

বালিয়াতলী ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ডের বেহাল দশা

বালিয়াতলী ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ডের বেহাল দশা

||

দৈনিক মাটির কণ্ঠ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print
বরগুনা সদর উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের জেলখানা- চারাভাঙ্গা-ঝিনাইবাড়ীয়া গ্রামের মানুষ এখনো উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত। নেই কোনো রাস্তাঘাট, নেই যোগাযোগের ব্যবস্থা। কাঁচা রাস্তাও হয়নি। বিশ্ব যখন এআই যুগে প্রবেশ করেছে, তখনও এই গ্রামে মোবাইল ফোনে কথা বলা বা ইন্টারনেট ব্যবহার করা সম্ভব নয়। কথা বলতে চাইলে নির্দিষ্ট স্থানে গিয়ে দাঁড়াতে হয়।
গ্রামে নেই কোনো মানসম্মত ক্লিনিক বা স্বাস্থ্যসেবা। নদীর ধারে গ্রাম হওয়ায় ঘূর্ণিঝড় বা বড় দুর্যোগে আশ্রয়ের জন্য নেই কোন সাইক্লোন শেল্টার। হঠাৎ কেউ অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার মতো জরুরি কোনো ব্যবস্থা নেই। কৃষক থেকে সাধারণ মানুষ, সবাই ভোগান্তির শিকার।
মাঝে মাঝে সরকার উন্নয়ন খাতে কিছু অর্থ বরাদ্দ দিলেও, তা জনগণের কাছে পৌঁছানোর আগেই কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির পকেটে চলে যায়। ফলে বছরের পর বছর জেলখানার মতোই বন্দী জীবন কাটাচ্ছেন জেলখানা -চারাভাংগার ও ঝিনাইবাড়ীয়ার মানুষ। তাই গ্রামের মানুষই হয়তো নামটি দিয়েছেন, অভিশপ্ত জেলখানা।
তবে হতাশার মাঝেও আশার আলো জ্বালিয়েছে ঐ গ্রামেরই সোনালী স্বপ্ন যুব সংসদ নামে একটি সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা । তারা এগিয়ে এসেছে পরিবর্তনের শপথ নিয়ে। তাদের স্লোগান- ‘আমার গ্রাম, আমার দায়িত্ব।’
এ স্লোগান বুকে লালন করে সংগঠিত গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটে বেড়াচ্ছে এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
অত্র প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের অনন্য ওয়ার্ডের তুলনায় ১ নং ওয়ার্ডে কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বর্ষা মৌসুমে কোনো রোগী হাসপাতালে নেওয়া যায় না। কৃষি পন্য নিয়ে ভোগান্তিতে পড়ে কৃষকেরা। এছাড়াও কৃষক, জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে রাস্তাঘাট সংস্করণ হওয়া খুবই জরুরী।
অত্র প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ মাওঃ মোঃ আল-আমিন বলেন, যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে একটাই দাবি এলাকার রাস্তাঘাট দ্রুত করা হোক।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর