রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে তা হৃদরোগ, স্ট্রোক ও রক্তনালীর ব্লক হওয়া সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই শরীরে অতিরিক্ত খারাপ কোলেস্টেরল জমলে, তা কমানো জরুরি। এর জন্য সঠিক খাদ্যাভ্যাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি খাবারে কিছু পরির্বতন আনেন, তবে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
চলুন, জেনে নিই কোন খাবারগুলো কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
ওটস
ওটসে থাকা বিটা-গ্লুকান নামে একটি দ্রবণীয় ফাইবার রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ওটসের পোরিজ বা স্মুদি খেলে শরীরের অতিরিক্ত চর্বি শোষণ রোধ হয় এবং হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
বাদাম
বাদামে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) বাড়ায়।
প্রতিদিন একমুঠো ভেজানো বাদাম বা আখরোট খেলে হার্ট ভালো থাকে।
ফ্ল্যাক্সসিড ও চিয়া সিড
ফ্ল্যাক্সসিড এবং চিয়া সিডে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ফাইবার থাকে, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। প্রতিদিন স্মুদি, দই বা স্যালাডের সঙ্গে এক চামচ চিয়া সিড বা ফ্ল্যাক্সসিড মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।
অলিভ অয়েল
অলিভ অয়েল একটি স্বাস্থ্যকর আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটের ভালো উৎস, যা শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে রক্তনালীগুলোকে নমনীয় রাখে।
রান্নায় বা স্যালাডে অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে তা হার্টের জন্য খুব উপকারী।
সামুদ্রিক মাছ
সামুদ্রিক মাছে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা ট্রাইগ্লিসারাইড কমায় এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। সপ্তাহে অন্তত দুইবার সামুদ্রিক মাছ খেলে রক্তে চর্বির মাত্রা কমে যায়।
রসুন
রসুনে থাকা ‘অ্যালিসিন’ নামক যৌগ কোলেস্টেরল উৎপাদন কমাতে সহায়তা করে। প্রতিদিন এক কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়া বা রান্নায় ব্যবহার করলে কোলেস্টেরল কমানোর ক্ষেত্রে কার্যকরী প্রভাব পড়ে।
এই খাবারগুলো নিয়মিত ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে।







