২৬শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ■ ১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

/

মামলার আট মাসেও হয়নি চার্জশিট

মামলার আট মাসেও হয়নি চার্জশিট

||

দৈনিক মাটির কণ্ঠ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

নেত্রকোনার মদন উপজেলার বারবুড়ি গ্রামে লাহুত মিয়া হত্যাকাণ্ডের আট মাস পার হলেও মামলার চার্জশিট দাখিল করতে পারেনি পুলিশ। দীর্ঘসূত্রতা ও আসামিদের হুমকির কথা উল্লেখ করে নিহতের বড় ভাই ও মামলার বাদী আবুল বায়েছ গতকাল সোমবার (১৯ জানুয়ারি) পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন।

মামলার এজাহার ও আবেদনের সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১১ মে পারিবারিক বিরোধের জেরে একটি ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে লাহুত মিয়া ও আশদ মিয়াসহ কয়েকজনকে পিটিয়ে বল্লম দিয়ে আঘাত করেন মানিক মিয়াসহ অভিযুক্তরা।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় লাহুত ও আশদ আলীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আশদ আলী চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে উঠলেও ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ মে মারা যান লাহুত মিয়া। 

ওই ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আবুল বায়েছ বাদী হয়ে মদন থানায় ৩৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরো ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন। ২০২৫ সালের ১৭ মে মদন থানা পুলিশ মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করে এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে এসআই গোলাম রসুলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

মামলাটির তদন্তে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠালে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও চার্জশিট দাখিল না হওয়ায় প্রধান আসামি মানিক মিয়া ছাড়া অন্য আসামিরা বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ শেষে জামিনে মুক্তি পান।

মামলার বাদী আবুল বায়েছের অভিযোগ, চার্জশিট না থাকায় জামিনে মুক্ত আসামিরা তাঁকে ও মামলার সাক্ষীদের মামলা প্রত্যাহারের জন্য হুমকি দিচ্ছেন। একইসঙ্গে পুলিশের পক্ষ থেকে মামলার প্রধান আসামিদের নাম বাদ দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এতে তিনি রাজি না হওয়ায় তদন্তে ইচ্ছাকৃত দেরি করা হচ্ছে। 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গোলাম রসুল বলেন, ঘটনাটি প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত হলেও মামলায় ৩৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে কার আঘাতে নিহত হয়েছেন, তা নিরূপণে সময় লাগছে। তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। খুব শিগগির  চার্জশিট দাখিল করা হবে।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর