১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ■ ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

/

রাজধানী ছাড়ছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা

রাজধানী ছাড়ছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা

||

দৈনিক মাটির কণ্ঠ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে রাজধানী ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছেন নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে তারেক রহমান বক্তব্য শেষ করার পরই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করা শুরু করেন তারা। 

নেতাকে একনজর দেখতে এসেছিলেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলা কৃষকদল নেতা মো. মুনসব সরকার। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানকে একনজর দেখতে একদিন আগেই ঢাকায় এসেছিলাম।
মঞ্চের সামনে থেকে নেতাকে দেখেছি। আমরা এখন বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছি।’

নেতাকে দেখার পর আপনার কেমন লেগেছে-এমন প্রশ্নের জবাবে শেরপুর উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব নূরুল ইসলাম নূর বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর পর আমরা প্রিয় নেতাকে দেখলাম। নেতাকে কাছে পেয়ে আমরা খুব খুশি।
শেরপুর উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক (দপ্তরের দায়িত্ব প্রাপ্ত) মো. উজ্জ্বল হোসেন বলেন, ‘লাখ লাখ নেতাকর্মী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেখার জন্য দুদিন আগ থেকেই ঢাকায় এসেছিলেন। আমরা প্রিয় নেতাকে দেখতে সারা রাত জেগেছিলাম। অবশেষে তার দেখা পেয়েছি। আমরা এখন বাড়িতে ফিরে যাচ্ছি।
এর আগে বিকেল ৩টা ৫১ মিনিটে মঞ্চে ওঠেন তারেক রহমান। তিনি সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে ৩০০ ফিট স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে। তারেক রহমান নেতাকর্মীদের হাত নেড়ে অভিবাদন জানান। 

এরপর বিকেল ৩টা ৫৮ মিনিটে বক্তব্য শুরু করেন তারেক রহমান। শুরুতেই তিনি বলেন, ‘প্রথমেই আমি রাব্বুল আলামিনের দরবারে হাজারো লক্ষ-কোটি শুকরিয়া আদায় করছি, অশেষ রহমতে প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের তরুণরা ২৪-এর আগস্টে এ দেশের স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে কিভাবে আন্দোলন করেছে আমরা দেখেছি। ৭১-এ যারা শহীদ হয়েছেন, ২৪-এর আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে তাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।’

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকা তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য সংবর্ধনাস্থল থেকে বাসে করে রওনা হয়েছেন।

এদিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের ভিড়ের কারণে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সেখানে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর