৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ■ ১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

/

সিরিয়ায় একযোগে দুই দেশের হামলা

সিরিয়ায় একযোগে দুই দেশের হামলা

||

দৈনিক মাটির কণ্ঠ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা বিভাগের বিমান। ছবি : সংগৃহীত

সিরিয়ায় একযোগে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। দেশটিতে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) একটি ভূগর্ভস্থ অস্ত্রভাণ্ডারে এ হামলা চালানো হয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (এমওডি) জানিয়েছে, রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) টাইফুন যুদ্ধবিমানগুলো ফরাসি যুদ্ধবিমানের সঙ্গে একযোগে এই হামলায় অংশ নেয়।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, সতর্ক ও বিশদ গোয়েন্দা বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ধারণা করা হয়েছিল যে মধ্য সিরিয়ার প্রাচীন নগরী পালমিরার উত্তরে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত এই স্থাপনাটিতে অস্ত্র ও বিস্ফোরক মজুত ছিল। আমাদের বিমানগুলো পেভওয়ে-৪ নির্দেশিত বোমা ব্যবহার করে ভূগর্ভস্থ স্থাপনাটির প্রবেশপথে থাকা একাধিক টানেলে হামলা চালায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লক্ষ্যবস্তু সফলভাবে আঘাত করা হয়েছে।

শনিবার গভীর রাতে চালানো এই হামলায় বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং সব বিমান নিরাপদে ঘাঁটিতে ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। হামলার বিস্তারিত মূল্যায়ন এখনো চলমান। অভিযানে টাইফুন এফজিআর-৪ যুদ্ধবিমানগুলোকে সহায়তা দেয় একটি ভয়েজার রিফুয়েলিং ট্যাঙ্কার বিমান।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেন, এই অভিযান প্রমাণ করে যে যুক্তরাজ্য নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত এবং মিত্রদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাইশের পুনরুত্থান ও তাদের বিপজ্জনক সহিংস মতাদর্শ নির্মূল করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি বলেন, আমি এই অভিযানে অংশ নেওয়া আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সাহসের জন্য ধন্যবাদ জানাই। বড়দিন ও নববর্ষে হাজারো ব্রিটিশ সেনা মোতায়েন ছিলেন— এই অভিযান দেখায়, আমাদের বাহিনী বছরজুড়েই দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রস্তুত।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১৯ সালে বাঘুজের যুদ্ধে আইএস পরাজিত হওয়ার পর থেকে সিরিয়ায় তাদের পুনরুত্থান ঠেকাতে নিয়মিত আকাশ টহল ও নজরদারি চালিয়ে আসছে রয়্যাল এয়ার ফোর্স। ২০১৪ সাল থেকে আন্তর্জাতিক জোটের অংশ হিসেবে ড্রোন ও মানবচালিত বিমান ব্যবহার করে আইএস লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে আসছে যুক্তরাজ্য।

জাতিসংঘের মতে, এখনো সিরিয়া ও ইরাকে আইএসের ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার যোদ্ধা সক্রিয় রয়েছে। গত নভেম্বর মাসে নতুন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বে সিরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আইএসবিরোধী জোটে যোগ দেয়, যা এই জোটের ৯০তম সদস্য রাষ্ট্র।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর